Skip to main content

সুন্দর আগামীর প্রত‍্যাশায়



বিশ, একুশ, বাইশ; দিন যত যাচ্ছে, আলখাল্লার ভেতর থেকে জীবনের আসল চেহারাটা একটু একটু করে বেরিয়ে আসছে । আমরা বড় হচ্ছি;  আমাদের এক্সপেক্টেশন, আমাদের দায়িত্ব, আমাদের দুঃখ সবকিছুই যেন শেকড় গেড়ে  দিনদিন প্রকাণ্ড হয়ে উঠছে।

একধাপ সামনে আগাই, নতুন পরিকল্পনা করি,  নতুন স্বপ্ন সাজাই । তবে কথায় আছে- 'whatever we think, life never goes towards our plan or even our wish'!

আমরা শুধু জীবনের নিয়ম মেনে সুখে-শোকে, মুখরতা কিংবা মৌনতায় জীবনকে যাপন করে যাই। 

আমাদের পিছুটান থাকে, 'বসন্ত চাইলে পরিযায়ী পাখিদের বিদায় জানাতে হয়' পিছুটান ভুলে যাই। 

সুখে-শোকে,  বিষাদ-বিষণ্নতায় অতিক্রান্ত  আমাদের সাদা-কালো জীবনটা অনাগত দিনগুলোতে এক হিরণ্ময় আলোর দেখা পাক...






Popular Posts

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধিতে দ্বিমত কোথায়

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধিতে দ্বিমত কোথায়  চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করার যে আন্দোলন চলছে সেটা আসলে কতটা যৌক্তিক । এ ব‍্যাপারটাতে আমার দ্বিমত আছে ।  কেন বয়সসীমা বাড়ানোটা ঠিক হবে না তার কয়েকটা কারণ বলি-  এক.  বয়সসীমা বাড়ালে বেকারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে কারণ ততদিনে আরো তিন/চারটা নতুন ব‍্যাচ চাকরির বাজারে প্রবেশ করবে । যা চাকরির  বাজারে সংকট তৈরী করবে ।  দুই.  এটা ফ্রেশ গ্রেজ‍্যুয়েটদের জন‍্য হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়াবে । কারণ ইতঃপূর্বে চার/পাঁচটা ব‍্যাচ চাকরির জন‍্য নিজেদের তৈরী করে নিচ্ছে। সদ‍্য গ্রেজ‍্যুয়েশ শেষ করা একটা ছেলে, চার/পাঁচ বছর ধরে প্রিপারেশন নিতে থাকা একটা ছেলের থেকে পিছিয়ে থাকবে স্বাভাবিক । উপরন্তু প্রতিযোগীর সংখ‍্যাও দ্বিগুন থেকে তিনগুন বেড়ে যাবে ।  এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার মাধ‍্যমে যোগ‍্য প্রার্থী নির্বাচনে বৈষম্য তৈরি হবে।  তিন.  দেশে চাকরি প্রত‍্যাশীর তুলনায় কর্মসংস্থানের পরিমাণ অনেক কম।  সরকারি ক্ষেত্রে তা আরো নগণ্য । এক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি না করে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোটা তেমন ফলপ...